সবাইকে স্বাগতম

এই ব্লগ সাইট ভালো লাগলে শেয়ার করতে ভুলবেন না এ পেইজ গুরে আসার জন্য সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। ভালো লাগলে আবার আসবেন। *** শিক্ষার কোন বয়স নাই, জানার কোন শেষ নাই। )

বৃহস্পতিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

জেনে নিন- উচ্চ রক্তচাপ ও নিম্ন রক্তচাপ হলে কি করবেন?

জেনে নিন- উচ্চ রক্তচাপ ও নিম্ন রক্তচাপ হলে কি করবেন?


Image result for নিম্ন রক্তচাপ বা লো ব্লাড প্রেসার

হাই ব্লাড প্রেসার : কেন হয়, হলে কী করবেন।
ব্লাড প্রেসার (Blood pressure) নামে অতিপরিচিত রোগটির নাম ডাক্তারি ভাষায় হাইপারটেনশন বলা হয় । রক্ত চাপ যখন স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হয়, তখন উচ্চ রক্তচাপ হয়। এই চাপ এর একটি স্বাভাবিক মাত্রা আছে আর যখন তা স্বাভাবিক মাত্রা ছাড়িয়ে যায় তখনি তাকে বলা হয় হাইপারটেনশন (Hypertension) বা উচ্চ রক্তচাপ। আর বেশী করে বলতে গেলে, মস্তিস্ক মেরুজল হৃৎপিণ্ডের তৃতীয় অংশ থেকে ওপরে উঠে স্নায়ুতন্ত্রে প্রবেশ করে। যখন মস্তিষ্ক মেরুজলে লবণের পরিমাণ বেড়ে যায়, তখন বহির্গত নালির বাল্বের ভেতরে অবস্থিত চুলের মতো সূক্ষ কোষগুলো শক্ত হয়ে যায়। এর ফলে মস্তিষ্ক মেরুজলের প্রবাহ ব্যাহত হয়। হৃৎপিণ্ডের তৃতীয় অংশে এই মস্তিষ্ক মেরুজলকে ওপরে ঠেলার জন্য যে চাপের সৃষ্টি হয় তাই উচ্চ রক্তচাপ। অনেক সময় দুশ্চিন্তাজনিত কারণ থেকেও এটি হতে পারে। উচ্চ রক্তচাপের ফলে করোনারি হার্ট ডিজিজ, হার্টফেল, স্ট্রোক, কিডনি অকেজো ইত্যাদি মারাত্মক সমস্যা দেখা দেয়। 

একজন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষের রক্তের চাপ বা ব্লাড প্রেসার হবে ১২০/৭৫ মিলি মিটার । ইহা দু ভাগে ভিবক্ত ১- সিস্টেলিক ( মেশিনের উপরের উপরের লেভেল ) ৯০ + ৩০ =১২০ ( +/- ১০/১৫ কম বেশী হলে তেমন অসুবিধা নাই ২- মেশিনের নিচের লেভেল ( বা বয়সের কারণে এর কিছু বেতিক্রম হয় যা ( বয়স + ৯০ ) ঠিক তদ্রুপ ২- ডায়াস্টিলিকের বেলায় ৯০- ৩০=৬০ ( +-১০/১৫ ) এর উপরে হলেই মনে করতে হবে হাই ব্লাডপ্রেশার – অর্থাৎ ১২০/৭৫ নরমাল প্রেসার মনে করে , যে কোন মানুষের একবার প্রেশার মাপার পর পুনরায় ১/২ মিনিট অপেক্কা করে আবার প্রেসার চেক করে দেখবেন সামান্য কিছু পরিবর্তন আছে তাই তিন বার এক সাথে মাপা উচিৎ – ঠিক সেভাবে দিনে দুবার করে ৩/৫ দিন এক সপ্তাহ চেক করার পর ও যদি দেখেন আপনার বয়সের সাথে যোগ করে রক্তের চাপ একটু বেশী আছে তখন আপনার উচিৎ আপনার চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ নেওয়া

উচ্চ রক্তচাপ এর লক্ষণ
* মাথাব্যথা, 
বিশেষ করে পেছনের দিকে ব্যথা। অনেক সময় সকালে ঘুম থেকে উঠার পর ব্যথা অনুভূত হয়। দু-চার ঘণ্টা পর কমে যায় 
* মাথা ঘোরা 
* বুক ধড়ফড় করা 
* মনোযোগের অভাব 
* অল্পতে হাঁপিয়ে যাওয়া 
* মাংসপেশির দুর্বলতা 
* পা ফোলা 
* বুকে ব্যথা 
* নাক দিয়ে রক্ত পড়া 
* ক্লান্তিবোধ 
* ঘাড় ব্যথা। 

উচ্চ রক্তচাপ হওয়ার কিছু কারণ  
* ধূমপান 
* ওজন বেশি 
* অলস জীবন-যাপন 
* খাবারের সঙ্গে বেশি লবণ গ্রহণ 
* নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবন 
* বংশগত কারণে 
* ক্রনিক কিডনি রোগ 
* অ্যাড্রেনাল ও থাইরয়েড গ্রন্থির সমস্যা। 

উচ্চ রক্তচাপ হলে যা খেলে উপকার হবে
* এক মাস সকাল ও সন্ধ্যায় দুই চামচ করে থানকুনি পাতার রস সেবন করুন। অথবা রসুন ১ কোয়া করে দুবেলা ভাতের সঙ্গে ১৫ দিন খান। 
* ৪টি তুলসীপাতা ও ২টি নিমপাতা ১ চা চামচ পানিতে চটকিয়ে খেয়ে নিন। 
* ১০০ গ্রাম পানিতে মাঝারি আকারের অর্ধেকটা লেবু চিপে দিনে ২-৩ বার পান করতে হবে। 

উচ্চ রক্তচাপ হলে যা না খেলে নিজের উপকার হবেঃ 
হাই ব্লাড প্রেসারে বেশি লবণ খেতে পারবেন না। কোলেস্টেরল সমৃদ্ধ খাবার যেমন ক্রিম, মাংস, ডিমের কুসুম, মাখন, ফ্রেঞ্জ ফ্রাইজ সম্পূর্ণভাবে এড়িয়ে চলতে হবে। প্রচুর পরিমাণ ফল ও সবজি খেতে হবে। সল্টেড বাটার, চিপস জাতীয় খাবার না খেলে নিয়ন্ত্রণে থাকে ব্লাড প্রেসার। ড্রিপ ফ্রায়েড খাবার, জাংক ফুড সম্পূর্ণভাবে এড়িয়ে চলতে হবে।

উচ্চ রক্তচাপ হলে যা করতে পারেন  
* ওজন কামানো 
* লবণ ও সোডিয়ামযুক্ত খাদ্য কম গ্রহণ 
* হাঁটা, দৌড়ানো, সাঁতার কাটা ও শারীরিক পরিশ্রম করা 
* রেড মিট বর্জন করা।
টিপস
উচ্চ রক্তচাপ হলে চোখ বন্ধ করে দুই হাতের কনিষ্ঠ আঙুল কানের মধ্যে দিয়ে ২-৩ মিনিট কান ঝাঁকুনি দিন।


নিম্ন রক্তচাপ বা লো ব্লাড প্রেসারঃ প্রেসার লো হলে বাড়িতেই প্রাথমিক কিছু পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। 
আমরা উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন নিয়ে সব সময় বেশী উদ্বিগ্ন থাকি। ছুটে যাই চিকিত্সকের কাছে। কিন্তু নিম্ন রক্তচাপ বা লো ব্লাড প্রেসার বা হাইপোটেনশন নিয়ে খুব একটা ভাবি না। যাদের লো ব্লাড প্রেসার তাদের একদিকে যেমন সুবিধা আছে অন্যদিকে অসুবিধাও কম নয়। উপকারিতার মধ্যে রয়েছে লো ব্লাড প্রেসারের রোগীদের স্ট্রোক, কিডনির সমস্যা, হূদরোগ সমস্যা হবার ঝুঁকি কম থাকে। তবে ব্লাড প্রেসার স্বাভাবিকের চেয়ে বেশী কমে গেলে মাথা ব্যথা, দুর্বলতা, এমনকি অজ্ঞান পর্যন্ত হবার ঘটনা ঘটতে পারে। এমনকি অনেক ক্ষেত্রে শকে যায় রোগী, বিপদ হবার ঝুঁকি পর্যন্ত থাকে। একজন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষের রক্তচাপ থাকে ১২০/৮০। অন্যদিকে রক্তচাপ যদি ৯০/৬০ বা এর আশেপাশে থাকে তাহলে তা লো ব্লাড প্রেসার হিসেবে ধরা হয়। প্রেসার যদি অতিরিক্ত নেমে যায় তাহলে মস্তিষ্ক, কিডনি ও হৃদপিন্ডে সঠিকভাবে রক্ত প্রবাহিত হতে পারে না, ফলে ব্যক্তি অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাই প্রেসার লো হলে বাড়িতেই প্রাথমিক কিছু পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। 
শুধু স্বাস্থ্যহীন হলেই যে লো প্রেসার হবে তাই নয়, মোটা মানুষেরও লো প্রেসার থাকতে পারে। 
লো প্রেসার হওয়ার বিভিন্ন কারণ যেমনঃ অতিরিক্ত পরিশ্রম, দুশ্চিন্তা, ভয় ও স্নায়ুর দুর্বলতা থেকে লো ব্লাড প্রেসার হতে পারে। 
লক্ষণঃ লো প্রেসার হলে কিছু লক্ষণ যেমনঃ প্রেসার লো হলে মাথা ঘোরানো, ক্লান্তি, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, বমি বমি ভাব, বুক ধড়ফড় করা, অবসাদ, দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে আসা ও স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে অসুবিধা দেখা দেয়।

কফি :- স্ট্রং কফি, হট চকলেট, কোলাসহ যেকোনো ক্যাফেইন সমৃদ্ধ পানীয় দ্রুত ব্লাড প্রেসার বাড়ায়। হঠাৎ করে লো প্রেসার দেখা দিলে এক কাপ কফি খেতে পারেন। যারা অনেকদিন ধরে এ সমস্যায় ভুগছেন তারা সকালে ভারি নাশতার পর এক কাপ স্ট্রং কফি খেতে পারেন। তবে সবসময় লো প্রেসার হলে কোলা না খাওয়াই ভালো। কারণ এর অন্যান্য ক্ষতিকারক দিকও রয়েছে।

লবণ পানি :- লবণে রয়েছে সোডিয়াম যা রক্তচাপ বাড়ায়। তবে পানিতে বেশি লবণ না দেওয়াই ভালো। সবচেয়ে ভালো হয়, এক গ্লাস পানিতে দুই চা চামচ চিনি ও এক-দুই চা চামচ লবণ মিশিয়ে খেলে। তবে যাদের ডায়াবেটিস রয়েছে তাদের ক্ষেত্রে চিনি বর্জন করতে হবে।

কিসমিস :- হাইপোটেনশনের ওষুধ হিসেবে অতি প্রাচীনকাল থেকেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে কিছমিস। এক-দুই কাপ কিছমিছ সারারাত পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। সকালে খালিপেটে সেগুলো খান। সঙ্গে কিছমিছ ভেজানো পানিও খেয়ে নিন। এছাড়াও পাঁচটি কাঠবাদাম ও ১৫ থেকে ২০টি চীনাবাদাম খেতে পারেন।

পুদিনা :- ভিটামিন সি, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম ও প্যান্টোথেনিক উপাদান যা দ্রুত ব্লাড প্রেসার বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে মানসিক অবসাদও দূর করে। পুদিনা পাতা বেঁটে তাতে মধু মিশিয়ে পান করুন।

যষ্টিমধু :- যষ্টিমধু আদিকাল থেকেই নানা রোগের ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এক কাপ পানিতে এক টেবিল চামচ যষ্টিমধু দিয়ে পান করুন। এছাড়াও দুধে মধু দিয়ে খেলে উপকার পাবেন।

বিটের রস :- বিটের রস হাই প্রসার ও লো প্রেসার উভয়ের জন্যই সমান উপকারী। এটি রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে ব্যাপক ভূমিকা পালন করে। হাইপোটেনশনের রোগীরা দিনে দুই কাপ বিটের রস খেতে পারেন। এভাবে এক সপ্তাহ খেলে উপকার পাবেন। 


বুধবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

এইস এস সি পরিক্ষার রেজাল্ট

এইস এস সি  পরিক্ষার রেজাল্ট 
বাংলাদেশ উন্মক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল রেজাল্ট পেতে নীচের লিংক এ ক্লিক করুন ।
http://exam.bou.edu.bd/  রুটিন ।

জমি মাপার নিয়ম

গুগল থেকে খুজা খুজি করে জমি মাপার নিয়ম- ভূমির পরিমাণ পদ্ধতি বাহীর করলাম। আমার মত হয়ত অনেকেই জমি মাপার নিয়ম কিছু জানেনা। তাদের জন্য কাজে লাগবে আশা করি। যাহারা জমি মাপার নিয়ম জানেন পোস্টে ভুল থাকলে কমেন্ট করে জানালে উপকৃত হবো। এইবার মূল বিষয়ে পিরে যাওয়া হোক।    

ভূমির পরিমাণ পদ্ধতি
ভূমি সংক্রান্ত যাবতীয় দলিলাদি লিখন, সরকারি হিসাব ও অফিসের কাজ ইত্যাদি যাবতীয় বিষয়ে ভূমির পরিমাপ হলো:
ক) ডেসিমেল বা শতাংশ বা শতক।
খ) কাঠা,
গ) বিঘা এবং
ঘ) একর
এই পরিমাপ সর্ব এলাকায় সর্বজন গৃহীত। এটা "সরকারি মান"( Standerd Measurement) বলে পরিচিত।

উক্ত পরিমাপের কতিপয় নিম্নে প্রদান করা হলোঃ
ইঞ্চি, ফুট ও গজঃ
১২'' ইঞ্চি = ১ ফুট
৩ ফুট= ১ গজ

ভূমি যে কোন সাইজের হোক কেন ভূমির দের্ঘ্য ও প্রস্থে যদি ৪৮৪০ বর্গগজ হয় তাহলে এটা ১.০০ একর (এক একর) হবে। যেমনঃ ভূমির দৈর্ঘ্য ২২০ গজ এবং প্রস্থ ২২ গজ সুতরাং ২২০ গজ×২২ গজ= ৪৮৪০ বর্গগজ।


বর্গগজ/বর্গফুট অনুযায়ী শতাংশ ও একরের পরিমাণঃ
৪৮৪০ বর্গগজ = ১ একর ধরে
৪৮৪০ বর্গগজ = ১ একর
৪৩৫৬০ বর্গফুট= ১ একর
১৬১৩ বর্গগজ= ১ বিঘা
১৪৫২০বর্গগজ= ১ বিঘা
৪৮.৪০ বর্গফুট= ০১ শতাংশ
৪৩৫.৬০ বর্গফুট= ০১ শতাংশ
৮০.১৬ বর্গগজ= ১ কাঠা
৭২১.৪৬ বর্গগজ= ১ কাঠা
৫.০১ বর্গগজ = ১ ছটাক
৪৫.০৯ বর্গফুট= ১ কাঠা
২০ বর্গহাত = ১ ছটাকা
১৮ ইঞ্চি ফুট= ১ হাত (প্রামাণ সাই)

কাঠা, বিঘা ও একরের মাপঃ
১৬ ছটাক = ১/ কাটা
০.০১৬৫ অযুতাংশ = ১/কাঠা
০.৩৩ শতাংশ বা ০.৩৩০০ অযুতাংশ = ১ বিঘা
২০ (বিশ) কাঠা = ১ বিঘা
৩ বিঘা = ১.০০ একর।

নবজাতকের নাম এর তালিকা ( ছেলে মেয়েদের সুন্দর নাম )

 নবজাতকের নাম এর তালিকা ( ছেলে মেয়েদের সুন্দর নাম )



"""আল্লাহ্‌ সর্ব শক্তিমান"" 

আপনি কি নবজাতক ছেলে মেয়েদের নাম খুজ করতেছেন? ছেলে মেয়েদের সুন্দর অর্থসহ ইসলামি নাম রাখা, পিতা মাতা হিসাবে আপনার কর্তব্য। আর এই কর্তব্য পালন করতে গিয়ে ইসলামিক নাম রাখার জন্য ছেলে মেয়েদের নাম খুজ করতছেন?? 

চিন্তার কোন কারণ নাই, আপনার পচন্দের নামটি খুজে নিতে পারেন নিচের লিংক গুলি থেকে। এইখানে পাবেন হাজার হাজার নামের অর্থসহ ছেলে মেয়েদের সুন্দর নাম। 
কিছু ছেলেদের সুন্দর নাম ও অর্থসহ নিচে দেওয়া হল। 
আব্দুল আযীয (عبد العزيز- পরাক্রমশালীর বান্দা)
 আব্দুল মালিক (عبد المالك)
আব্দুল কারীম (عبد الكريم-সম্মানিতের বান্দা)
আব্দুর রহীম (عبد الرحيم-করুণাময়ের বান্দা)
আব্দুল আহাদ (عبد الأحد- এক সত্তার বান্দা)
আব্দুস সামাদ (عبد الصمد- পূর্ণাঙ্গ কর্তৃত্বের অধিকারীর বান্দা)
আব্দুল ওয়াহেদ (عبد الواحد-একক সত্তার বান্দা)
আব্দুল কাইয়্যুম (عبد القيوم-অবিনশ্বরের বান্দা)
 আব্দুস সামী (عبد السميع-সর্বশ্রোতার বান্দা)
আব্দুল হাইয়্য (عبد الحي-চিরঞ্জীবের বান্দা)
আব্দুল খালেক (عبد الخالق-সৃষ্টিকর্তার বান্দা)
 আব্দুল বারী (عبد الباري-স্রষ্টার বান্দা)
আব্দুল মাজীদ (عبد المجيد-মহিমান্বিত সত্তার বান্দা) 

উসামা (أسامة-সিংহ)
আফীফ (عفيف-পুতপবিত্র)
হামদান (প্রশংসাকারী)
লাবীব (لبيب-বুদ্ধিমান)
রাযীন (رزين-গাম্ভীর্যশীল)
রাইয়্যান (ريَّان-জান্নাতের দরজা বিশেষ)
মামদুহ (ممدوح-প্রশংসিত)
নাবহান (نبهان- খ্যাতিমান)
নাবীল (نبيل-শ্রেষ্ঠ)
নাদীম (نديم-অন্তরঙ্গ বন্ধু)
আব্দুল ইলাহ (عبد الإله- উপাস্যের বান্দা)
ইমাদ (عماد- সুদৃঢ়স্তম্ভ)
মাকহুল (مكحول-সুরমাচোখ)
মাইমূন (ميمون- সৌভাগ্যবান)
তামীম (تميم),
হুসাম (حُسَام-ধারালো তরবারি)
হাম্মাদ (حماد-অধিক প্রশংসাকারী)
হামদান (حمدان-প্রশংসাকারী)
সাফওয়ান (صفوان-স্বচ্ছ শিলা)
গানেম (غانم-গাজী, বিজয়ী)
খাত্তাব (خطاب-সুবক্তা)
সাবেত (ثابت-অবিচল)
জারীর (جرير)
খালাফ (خلف)
জুনাদা (جنادة)
ইয়াদ (إياد)
ইয়াস (إياس)
যুবাইর (زبير)
শাকের (شاكر-কৃতজ্ঞ)
আব্দুল মাওলা (عبد المولى- মাওলার বান্দা)
আব্দুল মুজিব (عبد المجيب- উত্তরদাতার বান্দা)
আব্দুল মুমিন (عبد المؤمن- নিরাপত্তাদাতার বান্দা)
কুদামা (قدامة)
সুহাইব (صهيب) ইত্যাদি।
আব্দুল্লাহ (عبد الله)
মুনযির (منذر)
উরওয়া (عروة)
হামযা (حمزة)
জাফর (جعفر)
মুসআব (مصعب)
উবাইদা (عبيدة)
খালেদ (خالد)
উমর (عمر)

আল্লাহর নাম নয় এমন কোন নামের সাথে গোলাম বা আব্দ (বান্দা) শব্দটিকে সম্বন্ধ করে নাম রাখা হারাম। যেমন,
  • আব্দুল মোত্তালিব (মোত্তালিবের দাস), 
  • আব্দুল কালাম (কথার দাস), 
  • আব্দুল কাবা (কাবাগৃহের দাস), 
  • আব্দুন নবী (নবীর দাস), 
  • গোলাম রসূল (রসূলের দাস), 
  • গোলাম নবী (নবীর দাস), 
  • আব্দুস শামছ (সূর্যের দাস), 
  • আব্দুল কামার (চন্দ্রের দাস), 
  • আব্দুল আলী (আলীর দাস), 
  • আব্দুল হুসাইন (হোসাইনের দাস), 
  • আব্দুল আমীর (গর্ভনরের দাস), 
  • গোলাম মুহাম্মদ (মুহাম্মদের দাস), 
  • গোলাম কাদের (কাদেরের দাস) ইত্যাদি। 
ওপরে নাম গুলি এইখান থেকে সংগৃহীত। খুব সুন্দর ভাবে এইখানে ছেলে এবং মেয়ে শিশু বা বাচ্চাদের সুন্দর ইসলামী নাম এবং এর গুরত্ব নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। ভালো লাগলে ভিজিট করে আসতে পারেন। 

অ্যালার্জি

 অ্যালার্জি কি? অ্যালার্জির উপসর্গ সমূহ


অ্যালার্জি কি

পৃথিবীর সর্বত্র অ্যালার্জি একটি বহুবিস্তৃত রোগ। প্রতি তিনজনের মধ্যে একজন ব্যক্তিজীবনের কোনো না কোনো সময় অ্যালার্জিতে আক্রান্ত হয়।অ্যালার্জি সংঘটিত হয় যখন কোনো ব্যক্তির রোগ প্রতিরোধক শক্তি পরিবেশের কোনো বস্তুর উপস্থিতির কারণে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। অথচ ওই বস্তুগুলো অন্য আরেকজন লোকের মধ্য থেকে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে না। এই বস্তুগুলোকে বলা হয় অ্যালার্জেন। অ্যালার্জেন দেখা যায় ঘরের ধুলোর জীবাণুতে, পোষা প্রাণীতে, পুষ্পরেণুতে, ছত্রাকে এবং কিছু খাদ্যে।
চিকিৎসাবিজ্ঞানে পরাগরেণুজনিত এই সমস্যার নাম পোলেন অ্যালার্জি বা স্প্রিং অ্যালার্জি। এই অ্যালার্জির উদ্রেককারী বস্তু বাতাসে ভেসে প্রথমে আক্রমণ করে নাকের ঝিল্লিতে। ফলে হাঁচি শুরু হয়। তারপর নাক বন্ধ হয় এবং নাক দিয়ে পানি পড়ে। কারও কারও ক্ষেত্রে তীব্র হাঁচি ও সর্দি হয় এবং জ্বরের অনুভূতি হয়। চোখও লাল হয়ে চুলকাতে থাকে। এই অবস্থার নাম হে-ফিভার। এ সমস্যায় শুধু যে নাক-চোখ চুলকায় তা নয়, অনেকের ত্বকও চুলকাতে থাকে। 
অ্যালার্জির উপসর্গ সমূহ 
অ্যালার্জি শরীরে অনেক জায়গায় অনেকভাবে হতে পারে এবং উপসর্গও বিভিন্নভাবে প্রকাশ করে। যেমন :
অ্যালার্জিজনিত স্বর্দি : এর উপসর্গ হচ্ছে অনবরত হ্যাচ্ছি আসা, নাক চুলকানো, নাক দিয়ে পানি পড়া বা নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া। কারও কারও চোখ দিয়েও পানি পড়ে এবং চোখ লাল হয়ে যায়। 
একজিমা : চামড়া শুকনো খসখসে হয়ে যাওয়া বা কালো হয়ে যায়।
অ্যাজমা/হাঁপানি : নিত্য উপসর্গ হচ্ছে কাশি, ঘন ঘন শ্বাস নেয়া, শ্বাসের সঙ্গে বাঁশির মতো শব্দ হওয়া বা বুকে চাপ লাগা। 
খাওয়ার অ্যালার্জি : উপসর্গ পেটে ব্যথা, বমি বমি ভাব, বমি হওয়া এবং ডায়রিয়া । 

অ্যালার্জির কারণ
অ্যালার্জির বিভিন্ন কারনে হতে পারে যেমনঃ ধুলাবালি, ফুলের রেণু, মাইট, খাদ্য, পশু-পাখির লোম ও পাখনা, পোকামাকড়ের হুল ও কামড়, কেমিক্যালস, ওষুধ, কসমেটিক্স এবং কন্টাক্ট এলার্জেন ইত্যাদি। এছাড়াও গাড়ি নির্গত ধোঁয়া, শিল্প-কারখানার বিভিন্ন উপাদানও অ্যালার্জির কারণ হতে পারে। বিশেষ কিছু পদার্থ যখন শরীরের সংস্পর্শে আসে, তখন শরীরে এক অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। যেমন—সর্দি, চুলকানি, ত্বক ফুলে যাওয়া, হাঁচি-কাশি ইত্যাদি। এই সৃষ্ট অস্বাভাবিক উপসর্গগুলোই হলো অ্যালার্জি।
অ্যালার্জির কারনে শরীরের কোন অঙ্গ আক্রান্ত হতে পারে 
এটা নির্ভর করে অ্যালার্জেনের ধরনের ওপর। যেমন পুষ্পরেণু যখন নিঃশ্বাসের সঙ্গে শরীরে প্রবেশ করে তখন উপসর্গ দেখা দেয় নাকে, চোখে, সাইনাসে এবং গলায় (হে ফিভার)। খাদ্য অ্যালার্জিতে দেখা দেয় পাকস্থলি এবং অন্ত্রের সমস্যা। সেই সঙ্গে শরীরে রাশ। একই আলার্জির কারণে শরীরের বিভিন্ন অংশে বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দিতে পারে।
রোগ প্রতিরোধের উপায় ও চিকিত্সাপ্রথম ধাপ হচ্ছে অ্যালার্জির সঠিক কারণ খুঁজে বের করা অর্থাত্ সঠিক অ্যালার্জেনকে শনাক্ত কর। পরবর্তী পদক্ষেপ হচ্ছে অ্যালার্জেনকে এড়িয়ে চলা।
এন্টিহিস্টামিন : অ্যালার্জি রোগীদের প্রথম চিকিত্সা শুরু হয় এন্টিহিস্টামিনের মাধ্যমে। এই ওষুধ মাস্ট সেল থেকে হিস্টামিন নির্গত হওয়া রোধ করে। ফলে জ্বালাময় এবং অস্বস্তিকর উপসর্গ কমে যায়।
নাকের স্প্রে এবং চোখের ড্রপ : এসব ব্যবহারে অনেক উপসর্গ থেকে ত্বরিত্ মুক্তি পাওয়া যায়।
সুনির্দিষ্ট অ্যালার্জেন ইমিউনোথেরাপি : একটি দীর্ঘমেয়াদি চিকিত্সা পদ্ধতি। এর ফলে রোগ প্রতিরোধক শক্তির প্রতিক্রিয়ার ধরন পরিবর্তিত হয়। এই পদ্ধতিতে দীর্ঘদিন ধরে রোগীর শরীরে ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে অল্প অল্প অ্যালার্জেন নির্যাস ঢুকিয়ে দেয়া হয়।
লিংক সুত্রঃ স্বাস্থ্যকথা

মঙ্গলবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

আহ কি যমনা আইল



আহ কি যমনা আইল । 
☞ দেখিনি কোন হিন্দু মেয়েকে
কোরআন তেলাওয়াতে মশগুল।
☞ দেখেছি অনেক মুসলিম মেয়েকে
পূজোয় দিতে ফুল।
☞ দেখিনি কোন হিন্দু যুবককে
ওয়াজ শুনতে মসজিদে।
☞ দেখেছি অনেক মুসলিম যুবককে
পূঁজা দেখতে যায় মন্দিরে।
☞ দেখিনি কোন হিন্দু রমণীকে
হিজাবপড়ে চলাফেরা করে।
☞ দেখেছি অনেক মুসলিম রমণীকে
হিন্দু রীতির নীড়ে।
☞ কি হল মুসলিম?কেনইবা
তোমার ভিন্ন ধর্ম প্রীতি।
☞ কেনভাল লাগেনা তোমার
নিজ ধর্মের রীতি?

রাজকুমারীর এক রাতের টয়লেটে ৩০ লাখ টাকা

রাজকুমারীর এক রাতের টয়লেটে ৩০ লাখ টাকা

অনলাইন ডেস্ক | আপডেট: 
থাই রাজকুমারী মহা চক্রী সিরিনধরন তিন দিনের জন্য কম্বোডিয়া সফর করছেন। এই সফরকে কেন্দ্র করে কম্বোডিয়ায় তাঁর জন্য একটি বিলাসবহুল টয়লেট (প্রসাধনকক্ষ) নির্মাণ করা হয়েছে। এতে খরচ পড়েছে ৪০ হাজার মার্কিন ডলার, যা প্রায় ৩০ লাখ ৭৭ হাজার টাকা। দ্য গার্ডিয়ান অনলাইনের খবরে এ তথ্য জানানো হয়।
কম্বোডিয়ার রাতানাক্কিরি প্রদেশের লেক ইয়াক লোম হ্রদের তিরে ওই বিলাসবহুল প্রসাধনকক্ষটি নির্মাণ করা হয়েছে।
খবরে জানানো হয়, আট বর্গমিটার চওড়া প্রসাধনকক্ষের কমোডটি বিদেশ থেকে কেনা। এটি সম্পূর্ণ শীতাতপনিয়ন্ত্রিত। এটি নির্মাণ করতে দুই সপ্তাহ লেগেছে। এটি নির্মাণে যে পরিমাণ অর্থ ব্যয় হয়েছে, তা কম্বোডিয়ার গড় বার্ষিক বেতনের ৬৬ গুণ।
কম্বোডিয়া ডেইলি ডটকমের খবর অনুযায়ী, থাই রাজপরিবারের ওই সদস্যের সফর শেষে প্রসাধনকক্ষের সাজসজ্জা খুলে নেওয়া হবে।
লেক কমিটির প্রধান ভেন চার্ক কম্বোডিয়া ডেইলি ডটকমকে বলেন, থাই রাজকুমারীর ব্যবহারের জন্য প্রসাধনকক্ষটি নির্মাণ করা হয়েছে। তাঁর সফর শেষ হলে এর সাজসজ্জা থাইল্যান্ডে ফেরত যাবে। তবে রাজকুমারী ওই প্রসাধন ভবনটি স্থানীয় অধিবাসীদের ব্যবহারের জন্য রেখে যাবেন।
থাই রাজকুমারীর জন্য টয়লেট নির্মাণের পেছনে এত বিপুল অর্থ ব্যয় করাকে অনেকেই ভালোভাবে নেননি। এ ঘটনাকে তাঁরা কম্বোডিয়ার জনগণের প্রতি অসম্মান হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
সাবেক সাংবাদিক অ্যান্ড্রু ম্যাকগ্রেগর মার্শাল একটি পত্রিকাকে বলেন, কম্বোডিয়ার অধিকাংশ মানুষের জন্য স্বাস্থ্যসম্মত আধুনিক পয়ঃব্যবস্থার সুযোগ-সুবিধা নেই। থাই রাজকুমারীর এক রাতের ব্যবহারের জন্য যে অর্থ ব্যয় করে একটি টয়লেট বানানো হলো, তা দিয়ে পুরো কম্বোডিয়ার গ্রামবাসীর পয়ঃনিষ্কাশনের যথাযথ ব্যবস্থা করা যেত।
কম্বোডিয়া সফরের সময় একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও একটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান উদ্বোধনের কথা রয়েছে থাই রাজকুমারীর। তাঁর কিছু প্রাইমারি স্কুলও পরিদর্শন করার কথা। এ ছাড়া তিনি কম্বোডিয়ার রাজার সঙ্গে দেখা করবেন।