সবাইকে স্বাগতম

এই ব্লগ সাইট ভালো লাগলে শেয়ার করতে ভুলবেন না এ পেইজ গুরে আসার জন্য সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। ভালো লাগলে আবার আসবেন। *** শিক্ষার কোন বয়স নাই, জানার কোন শেষ নাই। )

সোমবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

দেহের শক্তি বা এনার্জি বাড়ানোর উপায়


ডা. আওরঙ্গজেব আরু
প্রতিনিয়ত আমাদের নানা ধরনের কাজ-কর্মে ব্যস্ত থাকতে হয়। কখনো বা অফিস, আবার কখনো হাটবাজার কিংবা নিজের পরিবারকে সময় দেয়া এ সবটাতেই প্রয়োজন শক্তি বা এনার্জি। একটু লক্ষ্য করলেই দেখবেন, আপনি বেশি কাজ বা প্রেশার নিতে পারছেন না। অথচ আপনার পাশের জন্যই তা অনায়াসেই করে ফেলছে। চাকরিজীবী পুরুষ-মহিলা কিংবা একদমই গৃহিণী সবার জন্যই প্রয়োজন অফুরন্ত শক্তি। আর এই শক্তি বা এনার্জির মূল রহস্যটাই লুকিয়ে আছে আমাদের খাদ্যাভাস। শুধু বেঁচে থাকার জন্যই খাওয়া নয়, জীবনকে উপভোগ করার জন্য খাওয়া এবং সুস্থ থাকা। এক্ষেত্রে আমাদের খাদ্যাভাস বিশেষ কিছু খাদ্যদ্রব্য রাখলে আমরা প্রচুর শক্তি অর্জন করতে পারি।
পানি : প্রতিদিন দু'লিটার অর্থাৎ ৮-১০ গ্লাস পানি খাওয়া একান্ত অপরিহার্য। সঠিক পরিমাণে পানি খেলে দেহের জয়েন্টগুলো সচল থাকে। তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে, খাবার সহজে হজম হয়, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়, রক্তে অক্সিজেন সরবরাহ বজায় থাকে, এক কথায় দেহের ক্লান্তি দূর হয়ে যায়।
তাজা ফলমূল : আমাদের দেহের শতকরা ৮০ ভাগই পানি। শুধু পানি খেয়ে দেহের পানির চাহিদা পূরণ করা যায় না। এজন্য প্রচুর পরিমাণে তাজা ফলমূল খাওয়া উচিত। ফলকে বলা হয় ব্রেইন ফুয়েল ও অ্যান্টি-ডিপ্রেস্যান্ট। আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিদিন ৩-৫টি ফল খাওয়া উচিত। এতে ডিপ্রেশন কম হয়, হার্ট ভালো থাকে, কোলস্টেরল নিয়ন্ত্রণে থাকে।,
সবুজ শাক-সবজি ও সালাদ
সবুজ শাক-সবজি ও সালাদে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও ফাইবার। আয়রন, ও ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ সবুজ শাক-সব্জি অস্টিওপোরোসিস ও আর্থ্রাইটিস প্রতিরোধে খুবই উপকারী। এতে দেহ সুস্থ, সবল ও কর্মক্ষম থাকে।
বাদাম ও বীজযুক্ত সবজি
বাদাম ও বীজযুক্ত খাবারে রয়েছে ন্যাচারেল ফ্যাট ও প্রোটিন যা দেহে শক্তি যোগাতে সাহায্য করে।
দুধ ও দুধজাতীয় খাবার
এনার্জি জোগাতে দুধের কোনো বিকল্প নেই। প্রতিদিন এক গ্লাস দুধ খেলে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি সহজে পূরণ করা যায়। এ ছাড়া দই, পায়েস ইত্যাদিও আমাদের দেহের এনার্জির উৎস হতে পারে।
স্প্রাউটস বা অঙ্কুরিত বীজ
স্প্রাউটস শরীরে এনার্জি দেয়। এতে প্রোটিন বেশি পরিমাণে থাকে, ফ্যাটের পরিমাণ কম। সিদ্ধ, স্প্রাউটস সহজে হজম হয়। প্রতিদিন ১ বাটি স্প্রাউটস খাওয়া খুবই ভালো।
মূলযুক্ত খাবার : মিষ্টি আলু, বিটের মতো মূলযুক্ত খাদ্যে রয়েছে ভিটামিন-সি, ভিটামিন-বি৬, পটাসিয়াম ও অন্যান্য খনিজ উপাদান। এই জাতীয় খাবার ডিপ্রেশন কমাতে সাহায্য করে ও খাদ্যের চাহিদা সহজে মেটাতে পারে। দেহের এনার্জি বাড়াতে খাদ্যের ভারসাম্য বজায় রাখা একান্ত প্রয়োজন। এ জন্য ডায়েট বা খাদ্যেভাসের ৪০ ভাগ ফলমূল, সবজি ২০ ভাগ এবং ৩০ ভাগ ফ্যাট রাখা প্রয়োজন। পাশাপাশি প্রচুর পরিমাণে পানি খেলে এনার্জি বা শক্তির জন্য আর চিন্তার কিছুই থাকবে না।
সংগৃহীত ।
মাত্র ১৫ মিনিটে ঝরিয়ে ফেলুন পেটের বাড়তি মেদ
পেটের মেদ ছেলে মেয়ে উভয়ের কাছে আতঙ্কের নাম। শরীরের অন্যান্য অংশের চেয়ে পেটে দ্রুত মেদ জমে থাকে। যান্ত্রিক এই জীবনে কায়িক শ্রমের পরিমাণে কম মানসিক শ্রমের উপর জোর বেশি পড়ছে। যার ফলশ্রুতিতে একটানা ডেস্কে কাজ করার ফলে জমছে পেটে মেদ। পেট মেদ জমার অন্যতম একটি কারণ হল আমাদের লাইগ স্ট্যাইল, জাঙ্ক ফুডের প্রতি আসক্তি, শারীরিক পরিশ্রম  কম করা ইত্যাদি। পেটের মেদ শুধু দৃষ্টিকটুর না এটি নানান শারীরিক সমস্যার কারণ। ব্যস্ত এই জীবন থেকে মাত্র ১৫ মিনিট নিজের জন্য ব্যয় করুন আর ঝরিয়ে ফেলুন পেটের বাড়তি মেদ।

১। Squat to Knee Lift Twist
1._squat_twist_lift

প্রথমে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে কিছুটা নিচু হয়ে হাত দুটো সামনের দিকে ছড়িয়ে দিন। এরপর সোজা হয়ে দুই হাত দুইদিকে প্রসারিত করে  বাম পায়ে ব্যালেন্স রেখে ডান পা ভেঙ্গে বাম দিকে শরীরে ঘুরিয়ে নিন। এভাবে বিপরীত পায়ে ভর করে একই কাজ করুন। এইসময় সোজা হওয়ার সময় শ্বাস গ্রহণ এবং বাঁকা হওয়ার সময় শ্বাস ছাড়ুন। 

২। Side Leap and Balance 
2._side_leap_and_balance

 ডান পায়ে ভর রেখে বাম পাকে পিছনের দিকে নিয়ে ভেঙ্গে ডান হাতটি কিছুটা বাঁকা করে আগে পিছে মুভ করুন কিছুক্ষণ। তারপর ডানদিকের ছবির মত করে লাফ দিন। ১ সেকেন্ড অপেক্ষা করুন। 

৩। 180 Squat Jump 

ছবির মত করে হাত দুটি ভাঁজ করে ১৮০ ডিগ্রীতে শরীরকে মুভ করুন। এরপর দ্বিতীয় ছবির মত বিপরীত পাশেও তাই করুন।

৪। Crossing Climber 

পাঙ্ক পজিশনে পা এবং হিপ কিছুটা উঁচু রেখে হাঁটু ভেঙ্গে কিছুটা উঁচু থেকে লাফ দিন। লাফটি দ্রুত দিবেন। 

৫। Standing Straight-Leg Bicycle 

হাঁটু কিছুটা ভেঙ্গে দুই পা একসাথে করে নিন। হাত দুটি মাথার পিছনে নিয়ে নিন। বাম পায়ে ভারসাম্য রেখে ডান পা সামনের দিকে রেখে বামপাশে শরীর ডানদিকে ঘুরিয়ে নিন। পা দুটি একসাথে রাখার সময় শ্বাস গ্রহণ করুন এবং শরীর ঘোরানোর সময় শ্বাস বের করুন।

নিয়মিত এই ব্যায়ামগুলো করুন। ১৫ দিনের মধ্যে পেটের মেদ অনেকখানি কমে যাবে। 

জেনে নিন কোন ধরণের মাথা ব্যথা মারাত্মক রোগের লক্ষণ

জেনে নিন কোন ধরণের মাথা ব্যথা মারাত্মক রোগের লক্ষণ

headaches-symptomsকম বেশি সকলেই মাথা ব্যথার সমস্যায় ভুগে থাকেন। রোদে ঘোরাঘুরি, ঠাণ্ডা-সর্দি, মাইগ্রেন সহ অন্যান্য অনেক কারণেই মাথা ব্যথার সমস্যা হতে পারে। আমরা অনেকেই মাথা ব্যথার সমস্যা একেবারেই অবহেলা করে থাকি। ভেবে থাকি ঘুম এবং ব্যথানাশক ঔষধ খেলেই মাথা ব্যথার সমস্যা ঠিক হয়ে যাবে। হ্যাঁ, মাথা ব্যথার সমস্যা এই দুটি উপায়ে ঠিক করা সম্ভব। কিন্তু যদি তা মারাত্মক কোনো রোগের লক্ষণ হয়ে থাকে তাহলে কি আপনি ভুল করছেন না? হয়তো আপনার অবহেলার কারণে মারাত্মক সমস্যাটি বেড়েই চলেছে। তাই জেনে রাখা ভালো কোন ধরণের মাথা ব্যথা মারাত্মক রোগের লক্ষণ। চলুন তাহলে জেনে নেয়া যাক।

# হুট করে শুরু হয়ে মাত্র ৬০ সেকেন্ডের মধ্যে অসম্ভব রকমের মাথা ব্যথার সমস্যা শুরু হওয়া অনেক মারাত্মক একটি সমস্যা। আর এই মাথা ব্যথার কারণ মস্তিষ্কে রক্ত ক্ষরণ, স্ট্রোক এবং অ্যানিউরিজম। সুতরাং, সাবধান। সতর্ক থাকলে বেঁচে যেতে পারে জীবন।

# মাথায় কোনো আঘাত পাওয়ার পর থেকে মারাত্মক ব্যথা শুরু হলে তা মোটেই অবহেলা করবেন না। অনেকেই ভাবেন আঘাত পেলে ব্যথা তো করবেই, কিন্তু আপনার অবহেলার কারণে আপনি পড়তে পারেন মারাত্মক সমস্যায়। খুব সামান্য আঘাতের কারণেও অদৃশ্য ব্লিড হতে পারে যা মাথার খুলিতে চাপের সৃষ্টি করে।

# সকালে উঠে মাথা ব্যথার সমস্যায় ভোগা এবং সেই সাথে বমি করার সমস্যা অনেক মারাত্মক একটি রোগের লক্ষণ। যদি দিন বাড়ার সাথে সাথে ব্যথা কমতে থাকে, কিন্তু হাঁটাচলা, শারীরিক পরিশ্রম, মাথা নিচু করা ইত্যাদি কাজ করার সাথে সাথে মাথাব্যথা বাড়তে থাকে তাহলে সাবধান হয়ে যান। কারণ এটি হতে পারে ব্রেইন টিউমারের লক্ষণ।

# সব চাইতে ভয়াবহতম মাথা ব্যথার সমস্যা হচ্ছে সেলেব্রাল অ্যানিউরিজমের। মাথার সাথে এই ব্যথা গলা, ঘাড়েও অনুভূত হতে থাকে, সেই সাথে বমি, আলো সহ্য করতে না পারার সমস্যা দেখা দেয়। এই সমস্যায় যতো দ্রুত সম্ভব ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।

অনলাইনে এড দিয়ে আয়

অনলাইনে এড দিয়ে আয় করুন । 
আপনি আপনার ব্লগ বা ওয়েব সাইটে এড দিয়ে আয় করতে পারেন। রেজিস্টেশন করতে এখানে ক্লিক করুন । 
Earn @ Wap4dollar.Com

খালি পেটে রসুন খওয়ার উপকারিতা

খালি পেটে রসুন খওয়ার উপকারিতা

অনেকের ধারণা সকালে খালি পেটে রসুন খাওয়া হয়তো স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। আবার অনেকে বিশেষ করে দাদী নানীরা মনে করেন এটি স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারি। এত তর্ক বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে বৈজ্ঞানিকরা প্রমাণ করেছেন খালি পেটে রসুন শরীরের ভেতরে অ্যান্টিবায়েটিক তৈরি করে থাকে। যা অনেক রোগ থেকে শরীরকে রক্ষা করে থাকে। এছাড়া আরও কিছু কারণ আছে যার কারণে খালি পেটে রসুন খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য উপকার।
১। রসুন হাইপারটেশন বা উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধ করে থাকে। এটি শুধু রক্ত চলাচল বৃদ্ধি করে না, হৃদযন্ত্র সংক্রান্ত সমস্যা দূর করে থাকে। এর পাশাপাশি লিভার এবং ব্লাডার সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।
২। পেটের নানা সমস্যা যেমন ডায়রিয়া প্রতিরোধ করতে রসুন বেশ কার্যকরী। সকালে খালি পেটে রসুন নার্ভ সিস্টেমকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে থাকে।
৩। রসুন আপনার স্ট্রেস নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। এটি পাকস্থলিতে উৎপাদিত অ্যাসিডের ভারসাম্য বজায় রাখে। রসুন অত্যন্ত শক্তিশালী উপাদান যা ডায়াবেটিস, হতাশা, ট্রাইপাস, ক্যান্সার প্রতিরোধ করে দেহের সার্বিক উন্নয়ন সাধান করে থাকে।
৪। পেটের নানা অসুখ ভাল করার পাশপাশি রসুন হজমশক্তি বৃদ্ধি করে থাকে। এটি খাবারে রুচি বৃদ্ধিতেও রসুন বেশ কার্যকরী।
৫। যক্ষা, নিউমিনিয়া, ব্রংকাইটিস,দীর্ঘস্থায়ী শ্বাসনালী শ্লেষ্মা, হাঁপানি, অ্যাজমা, হুপিং কাশি সর্বোপরি শ্বাসযন্ত্র সংক্রান্ত সমস্যা দূর করে থাকে রসুন। তবে হ্যাঁ অব্যশই খালি পেটে খেতে হবে রসুন।

যেভাবে খাবেন:

সকালে নাস্তা খাওয়ার আগে দুই কোয়া রসুন খেয়ে ফেলুন। তারপর পানি পান করুন। রসুন চিবিয়ে খান।

সতর্কতা:

১। রসুন খাওয়ার আগে নিশ্চিত হয়ে নিন রসুনে আপনার অ্যালার্জি আছে কিনা। রসুনে অ্যালার্জি থাকলে কাঁচা রসুন খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। এর পরিবর্তে রসুনের স্যাপ্লিমেন্টরী খেতে পারেন।
২। রসুন খাওয়ার পর যদি ত্বকে র‍্যাশ দেখা দেয়, অথবা শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায় অথবা মাথাব্যথা শুরু হয় তবে রসুন খাওয়া বন্ধ করে দিন।
৩। আপনি যদি কোন ঔষধ খেয়ে থাকেন, তবে রসুন খাওয়ার আগে অব্যশই আপনার চিকিৎসকের পরামর্শ  গ্রহণ করবেন।

প্রবাস জীবন

প্রবাস থেকে মাকে বলা কিছু কথা 



সর্বরোগের মহৌষধ আদা

সর্বরোগের মহৌষধ আদা

পেটে ব্যথা

পেটে ব্যথা হলে আদা চা খেতে পারেন। আদাতে রয়েছে বেদনানাশক উপাদান যা সহজেই তাৎক্ষণিকভাবে পেটে ব্যথা কমায় ও আরাম দেয়।

রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়

আদার রস শরীরের রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। এতে রয়েছে ভিটামিন, মিনারেল ও অ্যামিনো এসিড। প্রতিদিন আদার রস বা আদা চা খেলে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া ঠিক থাকে ও হৃদরোগ হওয়ার ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যায়। আদার রস ধমনীতে চর্বি জমতে দেয় না, ফলে হার্ট অ্যাটাক হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।

ঋতুস্রাব

যাদের ঋতুস্রাবের সময় তলপেটে ব্যাথা হয়, তারা আদা সেদ্ধ পানিতে তোয়ালে ভিজিয়ে পেটে সেঁক দিতে পারেন। এসময় আদা চায়ে মধু মিশিয়েও খেতে পারেন। এতে করে মাসিক চক্র ঠিক থাকবে।

বাতের ব্যথা

জয়েন্টে বাতের ব্যথা কমাতে আদা খুব ভালো কাজ করে। আদার প্রদাহ ও ব্যথানাশক উপাদান বাতের ব্যথা খুব সহজেই নিরাময় করে। এক্ষেত্রে নিয়মিত আদা চা খান, পানিতে আদা সেদ্ধ করে সেই পানি দিয়ে স্নান সেরে নিন, আরাম পাবেন। এখন বাজারে আদার তেলও পাওয়া যায়। ব্যথাস্থানে সেই তেল ম্যাসাজ করলেও আরাম পাবেন।

হজম ও আলসার

আদা হজমে সহায়তা করে। ভারি খাবার খাওয়ার পর খানিকটা আদা চিবিয়ে খান। দেখবেন পেটের অস্বস্তিভাব কেটে যাবে। আদার রস খাদ্যের ভেতরকার  পুষ্টিকে শরীরে দ্রুত ছড়িয়ে দিতে সাহায্য করে। এছাড়াও এটি পাকস্থলিতে এক প্রকার শ্লেষ্মা তৈরি করে যা আলসার হওয়ার সম্ভাবনা দূর করে।

বমিভাব

দূরের যাত্রাপথে বমিভাব হলে আদা খেতে পারেন। ব্যাগে আদা ছোট ছোট করে কেটে রাখুন। পুদিনা পাতা ও খানিকটা আদা চিবিয়ে খান। বমিভাব কেটে যাবে। এছাড়াও বাড়ি থেকে বের হওয়ার আগে মধু দিয়ে আদা চা খেয়ে বের হলে ভালো অনুভব করবেন।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা

আদা শরীরের জীবাণু ধ্বংস করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। প্রতিদিন খাওয়ার সময় দুই টুকরো আদা খান। এতে বুকে জমা কফ বেরিয়ে আসবে ও অসুখ-বিসুখ হওয়ার ঝুঁকি কমে যাবে অনেকাংশেই।

মুখ পরিষ্কার করে

আদায় রয়েছে এন্টি-ব্যাক্টেরিয়াল উপাদান যা মুখের ভেতরে জীবাণুকে মেরে ফেলে ও দাঁতের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখে।

সংক্রামণ রোগ

আদাতে রয়েছে এন্টি-ফাংগাল ও এন্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান যা শরীরের বাইরের অংশের ঘা ও সংক্রামণ রোগের বিনাশ করে।

আর নয় দুশ্চিন্তা

আদা চা মস্তিষ্ককে শান্ত রাখে। সারাদিন পর এক কাপ আদা চা আপনাকে দেবে প্রশান্তি। এছাড়াও অফিস থেকে বাড়ি ফিরে আদা সেদ্ধ পানি দিয়ে স্নান  নিতে পারেন। শরীর ঝরঝরে লাগবে।

ক্যান্সার নিরাময়ক

এতে রয়েছে এন্টি-ক্যান্সার প্রপার্টিজ। আদার উচ্চমানের এন্টি-অক্সিডেন্ট শরীরে ক্যান্সারের সেল তৈরি হতে দেয় না। অনেক সময় শরীরে ক্যান্সারের সেল তৈরি হলেও তা ছড়িয়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে।

মাইগ্রেন

আদার রস রক্তনালীর প্রদাহ দমন করে। মাইগ্রেনের কারণে মাথাব্যথা হলে আদা পেস্ট করে কপালে লাগাতে পারেন। ধীরে ধীরে ব্যথা কমে যাবে।

ঠাণ্ডা, কাশি ও ফ্লু

অতি প্রাচীনকাল থেকেই ঠাণ্ডা, কাশি ও ফ্লু-র ওষুধ হিসেবে আদার রস ব্যবহৃত হয়ে আসছে। ঠাণ্ডা বা কাশির সমস্যা সমাধানে আদার রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে ১০ সেকেন্ড গরম করে খান। শিঘগিরই সেরে উঠবেন।