সবাইকে স্বাগতম

এই ব্লগ সাইট ভালো লাগলে শেয়ার করতে ভুলবেন না এ পেইজ গুরে আসার জন্য সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। ভালো লাগলে আবার আসবেন। *** শিক্ষার কোন বয়স নাই, জানার কোন শেষ নাই। )

মঙ্গলবার, ২২ মার্চ, ২০১৬

এই গরমে চুল ও ত্বকের যত্ন

এই গরমে চুল ও ত্বকের যত্ন 

হঠাত্ই যেন বেশ গরম পড়েছে, ত্বক ও চুলের চাই বাড়তি যত্ন। মডেল: জয়া, ছবি: নকশাপ্রখর রোদে অতিষ্ঠ জনজীবন। রোদের তাপে পুড়ে যায় ত্বক। বাইরে বেরোলেই যেন ঘেমে নেয়ে একাকার। এমন বিরূপ পরিবেশে ত্বক ও চুলের চাই বিশেষ যত্ন। এ প্রসঙ্গে কথা বলেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের চর্মরোগ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন। 
জেনে নিন তাঁর কিছু পরামর্শ—
 বাইরে বেরোলে ছাতা ব্যবহার করুন। ব্যবহার করতে পারেন সানস্ক্রিন ক্রিমও। এমন সানস্ক্রিন ক্রিম ব্যবহার করুন, যার এসপিএফ ৩০-এর বেশি।
 এ সময় ঘাম হয় খুব বেশি, তাই ত্বক রাখতে হবে পরিষ্কার।
 তবে সাবান বা ফেসওয়াশ দিনে একবারের বেশি ব্যবহার না করাই ভালো।
এই সময়ে চুল ও ত্বকের যত্ন প্রসঙ্গে আরও কথা বলেছেন হারমনি স্পার আয়ুর্বেদ রূপবিশেষজ্ঞ রাহিমা সুলতানা। তাঁর পরামর্শ হলো—
 এ সময় শরীর থেকে প্রচুর পানি বের হয়ে যায়। তাই পর্যাপ্ত পানি পান করুন।
 তরমুজ, বাঙ্গি, বেলসহ অন্যান্য ফল খেতে হবে।
 এসব ফলের রসও চুল ও ত্বকের জন্য উপকারী। তাজা ফলমূল কিনে এনে বাড়িতেই সেগুলোর রস তৈরি করে নেওয়া ভালো।
 প্রতিদিন চুল ধুতে পারেন, তবে শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার এক দিন পর পর লাগানো উচিত।
 মাসে অবশ্যই অন্তত দুইবার চুলে তেল লাগিয়ে রাখতে হবে। এটি চুলের ডিপ কন্ডিশনিংয়ের কাজ করবে।
 চুলে তেল লাগানোর আগে তেলের সঙ্গে একটু লেবুর রস মিশিয়ে নিলে চুল খুশকিমুক্ত থাকবে।
রাহিমা সুলতানা জানিয়েছেন ত্বক ও চুলের যত্নে কিছু প্যাক তৈরির পদ্ধতি।

চুলের জন্য পাকা কলা, আমলকীর রস, মধু এবং মেথি গুঁড়া একসঙ্গে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করতে পারেন। এটি একই সঙ্গে চুল নরম করবে এবং রোদে পুড়ে লালচে হয়ে যাওয়া থেকে বাঁচাবে।
 এই গরমে ঘৃতকুমারী (অ্যালোভেরা) মাথা ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করবে। আর এর পাশাপাশি এটি চুল পড়াও কমাবে। চুলে প্রথমে তেল লাগিয়ে নিন। তারপর এর রস লাগিয়ে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে চুল পরিষ্কার করে ফেলুন।
 ঘৃতকুমারীর রস, মেথি গুঁড়া ও ত্রিফলা (আমলকী, হরীতকী ও বহেরা) একসঙ্গে মিশিয়েও প্যাক তৈরি করতে পারেন।
 তেলের সঙ্গে আমলকীর রস মিশিয়েও চুলে লাগাতে পারেন। এটিও চুলের জন্য বেশ উপকারী। আমলকীর রস ও নারকেল তেল একসঙ্গে জ্বাল দিয়ে সারা রাত লাগিয়ে রাখুন। পরদিন সকালে ধুয়ে ফেলুন। এটি চুল পড়া কমাতে সাহায্য করবে।
ত্বকের যত্নে রাহিমা সুলতানা আরও কিছু প্যাক তৈরির পরামর্শ দিয়েছেন—
ত্বকের জন্য
 তরমুজ, লাল আতা, দুধ ও মধু একসঙ্গে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে ত্বকে লাগাতে পারেন।
 বাঙ্গি, দুধ, মধু ও লাল আতার সঙ্গে টকদই মিশিয়েও প্যাক তৈরি করতে পারেন।
সব ধরনের ত্বকের জন্য
প্যাক তৈরি করার জন্য হাতের কাছে তেমন কিছু না পেলেও শুধু তরমুজের রস তুলার সাহায্যে ত্বকে লাগাতে পারেন। এতে আপনার ত্বক ঠান্ডা থাকবে ও তা উজ্জ্বল দেখাবে। আর রোদে পোড়া ভাবও কমে আসবে।
সংগৃহীত 

রবিবার, ২০ মার্চ, ২০১৬

সানি-তাসকিনের বিশ্বকাপ শেষ

অবৈধ বোলিং অ্যাকশন

সানি-তাসকিনের বিশ্বকাপ শেষ

ক্রীড়া প্রতিবেদক | আপডেট: | প্রিন্ট সংস্করণ
তাসকিন আহমেদ, আরাফাত সানিগতকাল দুপুরে প্রথম দুঃসংবাদটি এল আরাফাত সানিকে ঘিরে। বাঁহাতি এই স্পিনারের বোলিং অ্যাকশন অবৈধ ঘোষণা করেছে আইসিসি! সন্ধ্যায় এল আরেকটি দুঃসংবাদ—আইসিসি ডানহাতি পেসার তাসকিন আহমেদের বোলিং অ্যাকশনকেও বলেছে অবৈধ। তার মানে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম পর্বের হল্যান্ড ম্যাচে আম্পায়াররা যে সন্দেহ করেছিলেন, দুজনের বোলিং অ্যাকশন পরীক্ষা করে সেটাই সঠিক প্রমাণিত হয়েছে। তাই চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এখানেই শেষ হয়ে গেছে বাংলাদেশ দলের এই দুই বোলারের।
বাঁহাতি স্পিনার সানির বিকল্প হিসেবে দলে নেওয়া হয়েছে আরেক বাঁহাতি স্পিনার সাকলাইন সজীবকে। তবে তাসকিনের বিকল্প অফ স্পিনার ও ব্যাটসম্যান শুভাগত হোম চৌধুরী। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে শুভাগতর অভিষেক হয়েছে আগেই। সাতটি টেস্ট ছাড়াও ওয়ানডে খেলেছেন চারটি ও টি-টোয়েন্টি দুটি। তবে সাকলাইন এখনো আছেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেকের অপেক্ষায়, যদিও ঘরোয়া ক্রিকেটে তিনি যথেষ্টই অভিজ্ঞ। ৬৯টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচ ছাড়াও খেলেছেন ৫৯টি লিস্ট ‘এ’ ও ৩২টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ।
এর আগে ঘরোয়া ক্রিকেটেও সানির বোলিং অ্যাকশন প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছিল। তাঁর অ্যাকশনে ত্রুটি থাকাটা তাই অনুমিতই ছিল। কিন্তু ভারতে বাংলাদেশ টিম ম্যানেজমেন্ট এবং বিসিবিসহ সবাই মোটামুটি নিশ্চিত ছিলেন যে, তাসকিনের অ্যাকশন চেন্নাইয়ের রামাচন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষাগার থেকে শুদ্ধতার ছাড়পত্র নিয়ে ফিরবে। শেষ পর্যন্ত এক যাত্রায় দুই ফল হলো না তাসকিন-সানির। কাল সন্ধ্যায় আইসিসি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়ে দেয়, দুজনের বোলিং অ্যাকশনই অবৈধ। অ্যাকশন শুদ্ধ প্রমাণিত হওয়ার আগ পর্যন্ত আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বোলিং করতে পারবেন না তাঁরা। আইসিসির সদস্যদেশগুলোর ঘরোয়া ক্রিকেটেও এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। তবে বিসিবি চাইলে পুনর্বাসনপ্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে তাঁদের বোলিংয়ের সুযোগ দিতে পারে।
হল্যান্ড ম্যাচে আম্পায়াররা সন্দেহ প্রকাশ করার পর ১২ মার্চ স্পিন কোচ রুয়ান কালপাগের সঙ্গে সানি ও ১৫ মার্চ বোলিং কোচ হিথ স্ট্রিকের সঙ্গে তাসকিন চেন্নাইয়ে গিয়ে বোলিং অ্যাকশনের পরীক্ষা দেন। কাল সেগুলোরই চূড়ান্ত রিপোর্ট আসে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বেশির ভাগ বলেই সানির কনুই ১৫ ডিগ্রির বেশি বাঁকা হয়ে যায়। তবে তাসকিনের ক্ষেত্রে সব বলে সমস্যাটা হয় না। কিছু কিছু বলে হয়।
নিয়ম অনুযায়ী তাসকিন-সানিকে এখন বিসিবির অধীনে বোলিং অ্যাকশন শুদ্ধ করার কাজ করে আবারও পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হবে। এসব ক্ষেত্রে সাধারণত নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা থাকে না। বোলিং অ্যাকশন শুদ্ধ করে কখন পরীক্ষা দেওয়া যাবে, সে সিদ্ধান্ত নেবেন সানি-তাসকিন এবং তাঁদের পুনর্বাসন পরিচালনা করা কোচরাই।
সানির বিকল্প মোটামুটি ঠিক করাই ছিল। আইসিসির ঘোষণা আসার পরই তাঁর জায়গায় বাঁহাতি স্পিনার সাকলাইন সজীবকে পাঠানোর কথা জানান নির্বাচক হাবিবুল বাশার, ‘সানির বোলিং অ্যাকশনে ত্রুটি ধরা পড়েছে। আমরা সাকলাইন সজীবকে তার বিকল্প হিসেবে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’ কিন্তু পরে তাসকিনের অ্যাকশনও অবৈধ ঘোষিত হলে কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে যান নির্বাচকেরা। প্রধান নির্বাচক ফারুক আহমেদ দেশের বাইরে থাকায় টিম ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে আলোচনা করে হাবিবুল এবং আরেক নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন শুভাগতকে তাসকিনের বিকল্প হিসেবে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেন।
একজন পেস বোলারের বিকল্প ব্যাটিং অলরাউন্ডার কেন—জানতে চাইলে মুঠোফোনে ব্যাখ্যা দিয়েছেন মিনহাজুল, ‘ধর্মশালার কন্ডিশনের কথা চিন্তা করে প্রথমে আমরা দলে পাঁচ পেসার রেখেছিলাম। কিন্তু এখন কন্ডিশন ভিন্ন। এক ম্যাচে তিন পেসার খেলানোর চিন্তা নেই টিম ম্যানেজমেন্টের। তারা একজন ব্যাটিং অলরাউন্ডার চেয়েছে। সে চাহিদা অনুযায়ীই শুভাগতকে পাঠানো হচ্ছে।’ শুভাগত বিশ্বকাপের দলের স্ট্যান্ডবাই তালিকায় থাকলেও সাকলাইন ওই চারজনের মধ্যে ছিলেন না।

বাংলাদেশ রেলওয়ের সময় সূচী

বাংলাদেশ রেলওয়ের সময় সূচী 
বাংলাদেশের অনেকে রেলওয়ের সময় সূচী না জানার কারনে ভ্রমন করতে যেতে চায় না ।
 আবার সময় সূচী জানতে হলে যেতে হবে রেলওয়ে স্টেশনে , তায় এতো জামেলা না করে এক ক্লিক এ দেখে নিন । বাংলাদেশ রেলওয়ের সময় সূচী দেখতে এখানে ক্লিক করুন ।  
 

শনিবার, ১৯ মার্চ, ২০১৬

জেনে নিন কোন ধরণের মাথা ব্যথা মারাত্মক রোগের লক্ষণ


জেনে নিন কোন ধরণের মাথা ব্যথা মারাত্মক রোগের লক্ষণ

কম বেশি সকলেই মাথা ব্যথার সমস্যায় ভুগে থাকেন। রোদে ঘোরাঘুরি, ঠাণ্ডা-সর্দি, মাইগ্রেন সহ অন্যান্য অনেক কারণেই মাথা ব্যথার সমস্যা হতে পারে। আমরা অনেকেই মাথা ব্যথার সমস্যা একেবারেই অবহেলা করে থাকি। ভেবে থাকি ঘুম এবং ব্যথানাশক ঔষধ খেলেই মাথা ব্যথার সমস্যা ঠিক হয়ে যাবে। হ্যাঁ, মাথা ব্যথার সমস্যা এই দুটি উপায়ে ঠিক করা সম্ভব। কিন্তু যদি তা মারাত্মক কোনো রোগের লক্ষণ হয়ে থাকে তাহলে কি আপনি ভুল করছেন না? হয়তো আপনার অবহেলার কারণে মারাত্মক সমস্যাটি বেড়েই চলেছে। তাই জেনে রাখা ভালো কোন ধরণের মাথা ব্যথা মারাত্মক রোগের লক্ষণ। চলুন তাহলে জেনে নেয়া যাক।
# হুট করে শুরু হয়ে মাত্র ৬০ সেকেন্ডের মধ্যে অসম্ভব রকমের মাথা ব্যথার সমস্যা শুরু হওয়া অনেক মারাত্মক একটি সমস্যা। আর এই মাথা ব্যথার কারণ মস্তিষ্কে রক্ত ক্ষরণ, স্ট্রোক এবং অ্যানিউরিজম। সুতরাং, সাবধান। সতর্ক থাকলে বেঁচে যেতে পারে জীবন।
# মাথায় কোনো আঘাত পাওয়ার পর থেকে মারাত্মক ব্যথা শুরু হলে তা মোটেই অবহেলা করবেন না। অনেকেই ভাবেন আঘাত পেলে ব্যথা তো করবেই, কিন্তু আপনার অবহেলার কারণে আপনি পড়তে পারেন মারাত্মক সমস্যায়। খুব সামান্য আঘাতের কারণেও অদৃশ্য ব্লিড হতে পারে যা মাথার খুলিতে চাপের সৃষ্টি করে।
# সকালে উঠে মাথা ব্যথার সমস্যায় ভোগা এবং সেই সাথে বমি করার সমস্যা অনেক মারাত্মক একটি রোগের লক্ষণ। 

*অতিরিক্ত ঘামের যন্ত্রণা থেকে মুক্তির উপায়

*অতিরিক্ত ঘামের যন্ত্রণা থেকে মুক্তির উপায়
প্রাকৃতিক উপায়ে এই রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। আসুন আমরা প্রথমে প্রাকৃতিক উপায়গুলো জেনে নিই :
#ভিটামিন বি-১২র অভাবে এই রোগ হয়।তাই ভিটামিন বি-১২ যেসব খাদ্যে বেশি পরিমাণে পাওয়া যায় সেসব খাদ্য গ্রহণ করুন ।
ভিটামিন বি পরিবার যেমন, বি-১, বি-২, বি-৩, বি-৫যুক্ত খাদ্য অথবা ভিটামিন বি ট্যাবলেট গ্রহণ করুন।
আয়োডিনযুক্ত খাবার যেমন, এসপারাগাস, ব্রকোলি, টারকি, গরুর মাংস, যকৃৎ, সাদা পেয়াজ, খাবার লবণ প্রভৃতি থেকে এটি হয়ে থাকে ।তাই এগুলো খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।
#বেশি বেশি পানি পান করুন। পানি দিয়ে মুখ, হাত, পা বারবার ধুয়ে ফেলুন।
শারীরিক দুর্বলতা থেকে এটি হয়ে থাকে। তাই পুষ্টিকর খাবার, শাকসবজি, ফলমূল বেশি পরিমাণে খান।
চায়ের মধ্যকার টনিক এসিড প্রাকৃতিক ঘামবিরোধী ওষুধ হিসেবে কাজ করে। তাই দেড় লিটার পানির মধ্যে

বুধবার, ১৬ মার্চ, ২০১৬

অতিরিক্ত ঘামের যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে চান ?

ত্বকের যত্ন


অতিরিক্ত ঘামের যন্ত্রণা 

থেকে মুক্তি পেতে চান ?

বিশ্বের অধিকাংশ মানুষ অতিরিক্ত ঘামের যন্ত্রণায় ভুগে থাকেন। হাত, পা, মুখ, বগল ঘামাকে ডাক্তারি ভাষায় হাইপারহিডরোসিস বা মাত্রাতিরিক্ত ঘাম বলা হয়। এটি এমন এক রোগ যা অনিয়ন্ত্রিত স্নায়ুপদ্ধতির জন্য হয়ে থাকে। এর ফলে আমরা প্রায়ই অনুষ্ঠান, পরীক্ষাসহ কোনও গুরুত্বপূর্ণ অবস্থায় খুব সমস্যায় পড়ে থাকি। প্রতিদিনের কাজকর্ম যেমন গাড়ি চালাতে গিয়ে, টাচ-স্ক্রিন যন্ত্রপাতি ব্যবহার করার সময় বা অন্যান্য কাজ করতে গিয়ে বেশ বিপত্তি ঘটে। খুব বেশি বডি-স্প্রে দিয়েও কোন লাভ হয়না, বরং তা শরীরের জন্য ক্ষতিকর।
কোন রকম কেমিকেল ব্যবহার না করেও প্রাকৃতিক উপায়ে এই রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।
০১. ভিটামিন বি-১২র অভাবে এই রোগ হয়। তাই ভিটামিন বি-১২ যেসব খাদ্যে বেশি পরিমাণে পাওয়া যায় সেসব খাদ্য গ্রহণ করুন। যেমন কলা, ডিম, দুধ, গাজর, টমেটো, সবুজ শাক, মাছ, কাঠ বাদাম ইত্যাদি।
০২. ভিটামিন বি পরিবার যেমন, বি-১, বি-২, বি-৩, বি-৫যুক্ত খাদ্য। প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শে ভিটামিন বি ট্যাবলেট গ্রহণ করুন।
০৩. বেশি করে পাকা ফলমূল ও শাকসবজি খাবেন। পাকা পেঁপে, তরমুজ, আম, কামরাঙ্গা, ফুলকপি, গাজর, বরবটি খুব উপকারী।
০৪. শারীরিক দুর্বলতা থেকে এটি হয়ে থাকে। তাই পুষ্টিকর খাবার, শাকসবজি, ফলমূল বেশি পরিমাণে খান।
০৫. আয়োডিনযুক্ত খাবার যেমন – এসপারাগাস, ব্রকোলি, টারকি, গরুর মাংস, যকৃত, সাদা পেঁয়াজ, খাবার লবণ প্রভৃতি থেকে এটি হয়ে থাকে। তাই এগুলো খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।
০৬. চায়ের মধ্যকার টনিক এসিড প্রাকৃতিক ঘাম বিরোধী ওষুধ হিসেবে কাজ করে। তাই দেড় লিটার পানির মধ্যে পাঁচটি চায়ের ব্যাগ মিশিয়ে সেটার মধ্যে ১০-১৫ মিনিট হাত-পা ভিজিয়ে রাখুন। তাছাড়া সবুজ চা পান করুন। এতেও উপকার পাবেন।
০৭. হাতে-পায়ে কোনও ধরনের পাউডার ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। কারণ এটি ঘাম দূর করার পরিবর্তে আরো বাড়িয়ে দেবে।
০৮. পান, ক্যাফেইনযুক্ত কফি, ধূমপান প্রভৃতি থেকে বিরত থাকুন কারণ এগুলো অতিরিক্ত ঘাম উৎপন্ন করে।
০৯. বেশি বেশি পানি পান করুন। পানি দিয়ে মুখ, হাত, পা বারবার ধুয়ে ফেলুন।
১০. শশা লবণ না মেখে খাবেন এতে আপনার শরীরে পর্যাপ্ত পানি থাকবে এবং ঘাম কমে যাবে।
মেডিসিন ব্যবহার করে ঘাম থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। তবে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোন প্রকার মেডিসিন ব্যবহার করা নিরাপদ নয়।
ঘামের বিরক্তিকর অবস্থা থেকে রক্ষা পেতে চিকিৎসাবিজ্ঞান মেডিসিনিকল এবং সারজিকল দু উপায়েই চেষ্টা করে কিছু ঘামবিরোধী ক্রিম, ইনজেকশন, ইলেকট্রিক থেরাপি ও ড্রাইসল বের করেছে। সারজিকল চিকিৎসা হিসেবে অতিরিক্ত ঘাম উৎপাদনকারী স্নায়ুর বিশেষ অংশ কেটে ফেলে দেয়া হয়। স্থায়ীভাবে ঘাম দূরীকারক এই পদ্ধতিটি তেমন সুবিধার নয়। কারণ অপারেশনের সময় অতিরিক্ত রক্তপাত এবং অপারেশন-পরবর্তী ওষুধে যাদের এলার্জির সমস্যা আছে তাদের জীবনের ঝুঁকি থেকে যায়। তাই অতিরিক্ত ঘাম থেকে রক্ষা পেতে সাময়িক উপশমকারী ড্রাইসল বা অ্যালুমিনিয়াম কোরাইড হেক্সাড্রেট এলকোহোলিক সলুশনজাতীয় (ড্রাইসল) ওষুধ অনেক কার্যকর।
আসুন এবার এসব ওষুধের কিছু ব্যবহার বিধি জেনে নিইঃ
০১. এই ওষুধ আপনি ঘুমাতে যাবার আগে শুষ্ক বগলে মাখুন। সকালে উঠে স্বাভাবিক পানি দিয়ে এটি ধুয়ে ফেলুন। দিনে গন্ধনাশক পদার্থ ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। এলুমিনিয়াম কোরাইডে আপনার বগলের ত্বক চুলকাতে পারে। সেজন্য আপনি আপনার ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে ব্যবহার করুন। যতদিন ঘাম থেকে মুক্তি না পান ততদিন এটি ব্যবহার করে যান। ঘাম থেকে মুক্তি পাবার পর আপনি দিনে গন্ধনাশক পদার্থ বা ডিওডারান্ট ব্যবহার করতে পারবেন।
০২. ঘুমাতে যাবার সময় হাতের তালুর পাতলা চামড়ায় এটি মাখুন। শুকানোর পর প্লাস্টিকের গ্লাভস পরে নিন । সকালে উঠে ধুয়ে ফেলুন। ১০-১৪ দিন ব্যবহারে আপনি এটির ফল বুঝতে পারবেন।
০৩. পায়ের তালুতে এটি মাখুন এবং শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। পায়ের তালুর আকারের মতো প্লাস্টিকের ব্যাগ পড়ে ঘুমান। সকালে উঠে স্বাভাবিক পানি দিয়ে পায়ের পাতা ধুয়ে ফেলুন। এক থেকে দু সপ্তাহের মধ্যে আপনি সুফল পাবেন।
টিপসঃ
ঘামের কারণে অনেকেই ব্যায়াম করতে ভয় পান। কিন্তু নিয়মিত ব্যায়াম করলে শরীর ঝরঝরে থাকে । সামান্য হাঁটাচলা করে বা বাসার কাজ করার মধ্য দিয়েও ব্যায়াম করা যায়। তাই বসে না থেকে ছোট ছোট কাজ নিজেই করে ফেলুন। প্রচুর পানি খান। সম্ভব হলে পাতলা সুতির জামা পরার চেষ্টা করুন।
সংগৃহীত 

সোমবার, ১৪ মার্চ, ২০১৬

হাতের চামড়া উঠা বন্ধ করতে কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি

@

হাতের চামড়া উঠা বন্ধ করতে কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি

ধরুন, আপনার প্রিয়জন কোন আবেগঘন মূহুর্তে আপনার হাত স্পর্শ করে তালুতে মরা চামডার খোঁচা খেল ! কেমন হবে ব্যাপারটা ? কিংবা ধরুন, কোন ডিল শেষে আপনার ক্লায়েন্ট আপনার সাথে হ্যান্ডশেক করতে গিয়ে ভ্রু কুঁচকে তাকাল। ব্যাপারটা কি আপনার জন্য খুব একটা ইতিবাচক হবে ?
শীতের শুরুতে অনেকেই একটা সাধারণ সমস্যায় ভোগেন- হাতের চামড়া মরা অর্থাৎ হাত খসখসে হয়ে চামড়া উঠে যাওয়া। যদিও ছেলে-মেয়ে উভয়ের হাতেই এই সমস্যা হতে পারে, তবে এটা সচারচর ছেলেদের হাতেই বেশি দেখা যায়। যারা এই সমস্যায় ভুগেন, প্রায়ই তাদের বিভিন্ন জায়গায় বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয়।

হাতের চামড়া উঠা বন্ধ করতে কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি অবলম্বন করতে পারেন

♦ প্রথমেই হাতের মরা চামড়া তুলে নিতে হবে। মরা চামড়া তুলতে ঘরে তৈরি স্ক্রাব ব্যবহার করতে পারেন। স্ক্রাব তৈরি করতে- ২চা চামচ গুড়ো দুধ, ১ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল এবং ১ টেবিল চামচ চিনি একত্রে খুব ভালো করে মিশিয়ে পেস্ট তৈরী করুন। ভাল ফলাফল পেতে পেস্টের সাথে লেবুর রস ব্যবহার করতে পারেন। পেস্ট তৈরি হয়ে গেলে তা হাতে লাগিয়ে কিছু সময় অপেক্ষা করুন। ১০-১৫ মিনিট পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ভাল করে ঘষে ঘষে হাত ধুয়ে নিন।
♦ স্ক্রাবিং শেষে হাতে অলিভ অয়েল ও নারকেল তেল সমপরিমাণে মিশিয়ে লাগাতে হবে। এতে হাতের আর্দ্রতা বজায় থাকবে।
♦ হাতের চামড়া অত্যাধিক পরিমাণে রুক্ষ হলে ক্ষারযুক্ত সাবান ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। এর বদলে ময়েশ্চারাইজযুক্ত সাবান ব্যবহার করুন। অথবা কাঠ বাদামের মাস্ক লাগিয়ে ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এটা হাতের ত্বকের জন্য খুব উপকারী।
♦ সপ্তাহে অন্তত ১ দিন হাতে ঘৃতকুমারীর বা অ্যালোভেরার রস মালিশ করে করুন। প্রতি ১০ দিনে একবার হাতে গরম বাষ্পের ভাপ দিন। রাতে ঘুমাতে যাবার আগে তিলের তেল, গ্লিসারিন আর গোলাপজল একসঙ্গে মিশিয়ে হাতে মালিশ করতে পারেন। এতে করে হাতের চামড়া কোমল থাকবে।
♦ হাতে চামড়া উঠা সমস্যার আরেকটি কার্যকরী প্রাকৃতিক সমাধান হলো- জবা ফুল। ২-৩ টি জবা ফুল হাতে ঘষে রেখে আপনি আপনার স্বাভাবিক কাজকর্ম করতে পারেন। যতক্ষণ সম্ভব ম্যাসেজটা হাতে রাখুন। দিনে দুই বার করে টানা কয়েকদিন জবা ফুল ট্রিটমেন্ট চালাতে পারেন। এটা অবশ্যই কাজ দেবে।
♦ প্রচুর পানি পান করুন। শরীরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাটি এসিডের (যেমন- ওমেগা-৩) চাহিদা মেটাতে মাছ, বাদাম ইত্যাদি খাদ্য তালিকায় রাখুন। বেশি করে সবুজ শাক-সবজি আর রঙিন ফলমূল খান।
এসবের পরেও হাতের চামড়া উঠা সমস্যার সমাধান না হলে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন।